Notice: Function add_theme_support( 'html5' ) was called incorrectly. You need to pass an array of types. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 3.6.1.) in /home/kolom24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5831 কিশোরগঞ্জে মাকে রশি দিয়ে বেধে জবাই করে হত্যার দায়ে পুত্রের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জে মাকে রশি দিয়ে বেধে জবাই করে হত্যার দায়ে পুত্রের যাবজ্জীবন

0

কিশোরগঞ্জে মা রেহেনা আক্তার (৬৫) কে রশি দিয়ে বেধে জবাই করে হত্যার দায়ে ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো.সায়েদুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। এছাড়াও তাকে বিশ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মোঃ নাঈম ওরফে সাদ্দাম হোসেন (৩২)। সে বাজিতপুর উপজেলার গাজিরচর ইউনিয়নের সাদিরচর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মচারী নজরুল ইসলামের পুত্র।

মামলার বিবরণে জানা যায়,  সাদ্দাম হোসেন কুমিল্লায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হয়েও মাদকের নেশায় কোর্স সম্পন্ন করতে পারেনি। নেশার টাকার জন্য বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো। ২০১৮ সালের ১ আগস্ট সকালে  মা রেহেনা আক্তারের কাছে নেশার টাকার আবদার করে ছেলে সাদ্দাম হোসেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। ক্ষিপ্ত সাদ্দাম এক পর্যায়ে মাকে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। পরে ঘরে থাকা বটি দা চালিয়ে দেয় মা রেহেনা আক্তারের গলায়। এতে ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রেহেনা আক্তারের মৃত্যু হয়।

মায়ের জবাই করা লাশ বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় বড়খাল এলাকায় এলাকাবাসী ঘেরাও দিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে আটক করেন। সাদ্দামকে আটকে রেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে বাজিতপুর থানার ওসি মো. সাইফুর রহমান মজুমদার পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনার পরে রাতেই ছেলেকে একমাত্র আসামি করে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন বাবা নজরুল ইসলাম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দিন রেণু মামলাটি পরিচালনা করেন।

Comments

comments

শেয়ার করুন.

About Author

মন্তব্য করুন