ঢাকারবিবার , ১৩ নভেম্বর ২০২২
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. দেশজুড়ে
  5. পজিটিভ বাংলাদেশ
  6. ফটো গ্যালারি
  7. ফিচার
  8. বিনোদন
  9. ভিডিও গ্যালারি
  10. সারাদেশ
  11. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কিশোরগঞ্জে দিনদুপুরে মারপিট করে ১৫ লাখ টাকা লুট

প্রতিবেদক
Kolom 24
নভেম্বর ১৩, ২০২২ ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় মকবুল হোসেন (৫৫) ও মাহবুব (৪২) নামে দুই ব্যাক্তিকে দিনদুপুরে মারপিট করে ১৫ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে থানার উল্টো দিকে অগ্রণী ব্যাংকের নিচে এ ঘটনা ঘটে। মকবুল হোসেন পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের নিজাম উদ্দিন প্রধানের ছেলে ও মাহবুব সুখিয়া ইউনিয়নের কেরামত আলীর ছেলে।

লুটের শিকার মকবুল হোসেন রবিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের নগুয়া প্রথম মোড় এলাকায় স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ডাকাত দলের সদস্যদের আমি চিনতে পেরেছি। তারা সবাই পাকুন্দিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তাঁরা হলেন, পাপ্পু (৩২), ফরিদ (৩১), হাবু (৩২), হারুন (৩৩), সানি (৩১), আরমিন (৩৩), রানাসহ (৩১) আরও ৫-৬ জন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানায় মকবুল হোসেন।

মকবুল হোসেন বলেন, অগ্রণী ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে যাই আমার ব্যবসায়িক কাজে। ব্যাংক থেকে নামার পরপরই কয়েকজন মিলে অর্তকিত হামলা করে আমার হাত ভেঙে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। আমি চিকিৎসা নিয়ে এখন রেস্ট নিচ্ছি। আমার সহযোগী মাহবুবকে মেরে এমন এক অবস্থা করেছে যে আমি তাকে দেখে চিনতে পারি নাই।

ডাকাতির শিকার মকবুল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আমি ঢাকাতে ব্যবসা করি। আর পাকুন্দিয়াতে আমার বসতবাড়ি। বসতবাড়ি হবার কারণে পাকুন্দিয়াতে আমার প্রতিনিয়ত আসা যাওয়া। আর এই সুযোগটাই নিয়েছে ডাকাত দলের সদস্যরা।

মকবুল হোসেন আরও জানান, আমি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার ও আমার সহযোগীর উপর বর্বরোচিত হামলা এবং দিনদুপুরে ডাকাতির বিচার চাই।

ঘটনাস্থলের আশপাশের বাসিন্দারা বলেন, হঠাৎ দেখি অগ্রণী ব্যাংকের নিচে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কয়েকজন মিলে মকবুল ও মাহবুবের ওপর হামলা করেছে। এ ঘটনায় মকবুলের হাত ভেঙে যায় আর মাহবুব গুরুতর আহত হয়েছে। পরে মকবুল ও মাহবুব জানায় ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা ১৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। দিনদুপুরে এমন ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, এখন পর্যন্ত পাকুন্দিয়া থানায় এমন কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। আমরা সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।