ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. দেশজুড়ে
  5. পজিটিভ বাংলাদেশ
  6. ফটো গ্যালারি
  7. ফিচার
  8. বিনোদন
  9. ভিডিও গ্যালারি
  10. সারাদেশ
  11. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২০১৪ সালে জামায়াত আমাদের নির্বাচন না করতে বাধ্য করেছিল- আখতারুজ্জামান

প্রতিবেদক
Kolom 24
নভেম্বর ৩০, ২০২৩ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

মনোনয়নপত্র জমা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দিলেই নির্বাচনের পরিবেশ হয় না। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে নির্বাচনের পরিবেশ আসেনি কারণ যেহেতু বিএনপি এখনো নির্বাচনে আসে নাই। যতক্ষণ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে না। আমরা এটা করতেছি এটা টোকেন প্রোটেস্ট। দেখার জন্য যে সরকার তার কথা কতটুকু রাখে। সরকার বলছে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হবে তাই আমি টোকেন প্রতিবাদ হিসেবে এ নির্বাচনে আসছি। যতক্ষণ বিএনপি নির্বাচনে না আসবে ততক্ষণ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে না।

তিনি বলেন, আমি দেখতে চাই তারা কতটুকু সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করেন। আমি যদি হেরেও যাই অতীতেও দেখেছেন আমি হেরে গেছি সবার আগে আমি নির্বাচন মেনে নিয়েছি। সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন করেন আমি হেরে গেলাম তাতে কিছু আসে যায় না। আপনারা ভালো প্রমাণ করেন। যদি প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে আমি কিন্তু আন্দোলনের ইন্ধন যোগাবো। স্ফুলিঙ্গ তৈরি করব। ৭ই জানুয়ারি যদি সুষ্ঠু নির্বাচন না হয় তাহলে আমার থেকেই স্ফুলিঙ্গ তৈরি হবে। আন্দোলনের একটা পটভূমি তৈরি হবে। আমরা দলকে বলতেছি নির্বাচনে আসেন, সরকার যদি আমাদের ধোকা দেয়, ফাঁকি দেয় তাহলে আমরা তাদের সাথে লড়বো ৭ই জানুয়ারির পরে। কিন্তু ৭ই জানুয়ারির আগে আসুন আমরা নির্বাচনটা করি। সরকার বলেছে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে। আমি ৭ই জানুয়ারি বিকাল ৪টায় দেখতে চাই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কিনা? যদি সুষ্ঠু না হয় আমি কিন্তু আন্দোলনের সূচিকা তৈরি করে ফেলবো।

২০১৪ সালে আমরা জামায়াত প্রভাবিত ছিলাম। জামায়াত আমাদের নির্বাচন না করতে বাধ্য করেছিল। ২০১৮ সালে আমাদের নেতারা গণেশের মাথা কেটে সেখানে গণেশ বসিয়ে নির্বাচন করেছে। সেখানে ধোকাবাজি খেয়েছে। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া তার কোনো বিকল্প নাই। নির্বাচনে মাইর খেতে হবে, নির্বাচন থেকেই উঠে আসতে হবে। যত আঘাতই আসুক বিরনপিকে নির্বাচন করতে হবে। এখানে জামায়াতের খপ্পরে পড়ে আমাদের এই অবস্থা। কারণ জামায়াত জানে তারা একটা সিটও পাবে না। আজকে যে সমস্ত দলগুলো দাড়িয়েছে যদি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হয় দেখবেন প্রচুর স্বতন্ত্র প্রার্থী পাস করবে। আওয়ামী লীগের মধ্যেও যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাড়িয়েছেন তাদের মধ্যেও স্বতন্ত্র প্রার্থী পাস করবে। নতুন যে দলগুলো হয়েছে দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে জিরো প্লাস জিরো।

এদিকে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে জমা দিয়েছেন মোট ৮ জন। তার মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল কাহার আকন্দ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক সোহরাব উদ্দিন রয়েছেন।

Comments

comments