হেফাজতকে হুশিয়ারি দিয়ে শিক্ষাউপমন্ত্রী নওফেলের স্ট্যাটাস

2 weeks ago
2:08 pm
18
বাংলাদেশ রাজনীতি হেফাজতকে হুশিয়ারি দিয়ে শিক্ষাউপমন্ত্রী নওফেলের স্ট্যাটাস

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিতে যারা হাত দিয়েছে, এদের একটা একটা ধরে আনা হবে, আইনের সম্মুখীন করা হবে। এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন “শিক্ষাউপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল”।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

কলম২৪.কম এর পাঠকদের জন্য তার দেওয়া স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

শিক্ষা উপমন্ত্রী স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘খেলাফতে মজলিশ নামক একটি দলের ~এক নেতা এই কুলাঙ্গার মামুনুল হকের পক্ষে যেভাবে সাফাই গাইল, এতে বোঝা যায় দ্বীনে ইসলাম শুধুই এদের বেঁচে থাকার জন্য একটি মাধ্যম।’

এদের কীভাবে শায়েস্তা করতে হবে তা আমাদের জানা আছে উল্লেখ করে নওফেল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মনে রাখা প্রয়োজন স্বাধীনতা যুদ্ধে এই দেশের জনগণ এদের প্রত্যাখ্যান করেছে।£ এদের ছাড়াই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল শক্তির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। কিছু এতিম শিশুকে রাখে বলে এরা অনেকের সহানুভূতি পায়।| এরা দেশের প্রচলিত সরকার কাঠামো, শিক্ষাব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনের অধীনে না আসলে, এদের কীভাবে শায়েস্তা করতে হবে তা আমাদের জানা আছে।’

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘জাতির পিতার ভাস্কর্য অপমানিত করার পর থেকে, `এদের স্পর্ধার শুরু, এখন ১৭টি লাশের ওপরে চলছে এদের ‘রিফ্রেশমেন্ট’ জীবন।’’

আরও পড়ুনঃ হেফাজতের পক্ষে ফেসবুক পোস্ট শেয়ার দেয়ায় কৃষক লীগ নেতা বহিষ্কার তিনি আরও লিখেন, ‘আগুন যারা জ্বালিয়েছে, পিতার ছবিতে হাত যারা দিয়েছে, এদের একটা একটা করে ধরে আনা হবে, আইনের সম্মুখীন করা হবে`। সামাজিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, সর্ব পর্যায়ে এই কাঠমোল্লা গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে হবে। আওয়ামী লীগ বানের জলে ভেসে আসে নাই।| গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনীতি করতে চায় করবে, কিন্তু ধর্ম ব্যবসা করে মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালানোর পরিণাম এদের বোঝাতে হবে। আগুন সন্ত্রাস করে বিএনপি-জামায়াত ছাড় পায় নাই, এই ধর্ম ব্যবসায়ীরাও ছাড় পাবে না। ইনশাআল্লাহ।’

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মোদিবিরোধী বিক্ষোভে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে নামাজ শেষে সংঘর্ষে জড়ায় হেফাজতে ইসলাম`। সে সংঘর্ষে আহত হন সাংবাদিক, পুলিশসহ অর্ধশতাধিক সাধারণ মুসল্লিরা।|