নকলায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা

2 weeks ago
8:58 pm
15
দেশজুড়ে নকলায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলাধীন পাঠাকাটা ইউনিয়নের পিপড়ী এলাকায় ছামিদুল ইসলাম নামে এক অসহায় পরিবারের একমাত্র বসত ঘরে আগুন লেগে সব ভস্মিভূত হয়ে যাওয়ায় অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে ভয়াবহ এক অগ্নিকান্ডে এক প্রতিবন্ধী ও এক বৃদ্ধাসহ ৪ সদস্য বিশিষ্ট এ পরিবারের সদস্যদের রাত যাপন করার মতো জায়গা ছিলোনা, ছিলোনা তাদের খাবার ব্যবস্থাও। এমন সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে অসহায় ছামিদুল ইসলামের বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন ও পাঠাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফয়েজ মিল্লাত। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা ও পাঠাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফয়েজ মিল্লাতের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ৩ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাছাড়া আপাতত রাত যাপনের সহায়ক হিসেবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের হাতে অন্তত ৫টি কম্বল তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের দাবী এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বসতঘরসহ অন্তত সাড়ে ৩ লাখ টাকার মালামাল সম্পূর্ণ ভাবে পুড়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া মালামাল গুলোর মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দলিলাধিসহ উপজেলা সমাজসেবা অফিস কর্তৃক সরবরাহ করা সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রতিবন্ধী কার্ড, বয়স্ক ভাতার কার্ড ও ঢাকার এক পোশাক কোম্পানীতে কর্মরত ২ নারী কর্মীর এক মাসের বেতন-ভাতা, চাল, ডাল, ধান, ৩টি খাট, লেপ-তোষকসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী উল্লেখযোগ্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর পরই নকলা বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে, বিদ্যুতের সংযোগ বন্ধ করে দেয় বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায়, আগুনে সবকিছু ভস্মিভূত হয়ে যায় বলে তারা জানান। তাদের ধারনা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।