কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতির ৭৯তম জন্মদিন উদযাপন করলেন মেয়র পারভেজ

3 weeks ago
3:10 pm
72
দেশজুড়ে ঢাকা কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতির ৭৯তম জন্মদিন উদযাপন করলেন মেয়র পারভেজ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের ৭৯তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ পারভেজ মিয়া। শনিবার (১ জানুয়ারি) সকালে পৌরসভা প্রাঙ্গনে অতিথিদের নিয়ে ৭৯ পাউন্ডের কেক কাটেন পৌর মেয়র। এ উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, দুস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ পারভেজ মিয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল আহসান শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ আফজল, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনীতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মীসহ নানা শ্রেণীপেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কেক কাটা শেষে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের টানা দুইবারের প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ১৯৪৪ সালের ১লা জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদরের কামালপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম হাজি মো. তায়েব উদ্দিন ছিলেন একজন কৃষক এবং মাতা মরহুমা তমিজা খাতুন ছিলেন গৃহিনী। স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে ১৯৬১ সালে তিনি নিকলী জিসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং পরবর্তীতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকার সেন্ট্রাল ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর আইন পেশায় কিশোরগঞ্জ বারে যোগদান করেন। ছাত্রাবস্থায় ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগে যোগ দেয়ার মাধ্যমে মো. আবদুল হামিদের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৬১ সালে গুরুদয়াল কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন। ফলে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাকে কারারুদ্ধ করে। ১৯৬৩ সালে তিনি গুরুদয়াল কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৫ সালে একই কলেজের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালে কিশোরগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ১৯৬৬-৬৭ সালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি কারাবন্দি ছিলেন। এরপর থেকে ২০০১ সালে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি একটানা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।