কিশোরগঞ্জে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিতিশীল, লিটার প্রতি বিক্রি ২২০ টাকা

3 weeks ago
6:53 pm
158
দেশজুড়ে ঢাকা কিশোরগঞ্জে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিতিশীল, লিটার প্রতি বিক্রি ২২০ টাকা

কিশোরগঞ্জে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। লিটার প্রতি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। যেখানে সরকার নির্ধারিত খোলা সয়াবিন তেলের মূল্য ১৩৬ টাকা। প্রতি লিটারে ৮৪ টাকা বেশি নিচ্ছে ভোক্তাদের কাছ থেকে। তেলের দাম বৃদ্ধির অস্থিতিশীলতাকে নিয়ে সিন্ডিকেটকেই দায়ি করছে ক্যাব। শুধু সয়াবিন তেল নয় নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ক্রেতা জানায়, ঈদের আগে তেলের দাম লিটার প্রতি ৮৪ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে দোকানিরা। আমরা যারা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ তারা কিভাবে সংসার চালাবো। সংসার চালানো আমাদের কাছে দায় হয়ে পড়েছে।

সূত্র জানায়, জেলা শহরের বড় বাজারে ৮-৯ জন ও ভৈরবের ৮-১০ জন তেল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে রাতের আধারে বোতলজাত, প্যাকেটজাত তেলকে খোলা তেলে পরিণত করে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। তারাই মূলত তেলের দাম বৃদ্ধি ও কমানোর মূল হোতা। অদৃশ্য শক্তিতে তারা এ সিন্ডিকেট তৈরি করেছে বলেও সূত্র জানায়। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এ ধরণের সিন্ডিকেটের উৎপত্তি।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মুক্ত অর্থনীতিতে পণ্যের দাম কখনো সরকার নির্ধারণ করতে পারে না। সরকারের উচিত জনগণের প্রয়োজনে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা। তাহলে সরকার এই বাজার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে।

কিশোরগঞ্জ ক্যাবের সভাপতি আলম সারোয়ার টিটু বলেন, ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনকে তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। চিহ্নিত ৮-৯ জন ব্যবসায়ী ৯শত থেকে এক হাজার ড্রাম সয়াবিন তেল লুকিয়ে রেখেছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ জানাই। সিন্ডিকেটের কবল থেকে ভোক্তাদেরকে বাঁচাতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা খানম বলেন, অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, এ বিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিয়ে দেখব। এমন হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব।