পিকে হালদারসহ পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা

3 weeks ago
7:49 pm
13
বাংলাদেশ জাতীয় পিকে হালদারসহ পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা

পিকে হালদারসহ পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) লিখিত আবেদনের প্রেক্ষীতে আজ (বুধবার) বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই নির্দেশে দিয়েছেন। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে হাইকোর্টে এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

তথ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রতি এমন নির্দেশনা দেয়ার আর্জি জানানো হয়। একইসঙ্গে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) পিকে হালদারের প্রচারিত সাক্ষাৎকার এবং প্রচারিত টকশোর বক্তব্যে কী আছে তা খতিয়ে দেখা ভিডিও ক্লিপ আদালতে তলব চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

দুদকের এই আইনজীবী বলেন, এর আগে পিকে হালদারকে নিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তার বক্তব্য বা লাইভ সম্প্রচার করা হয়। আইনের দৃষ্টিতে পিকে হালদার পলাতক আসামি। তাই পিকে হালদারসহ সব আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দুদকের পক্ষে আবেদন জানিয়েছি।

পিকে হালদারের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার- কতটুকু আইনসংগত তা জানতে গতকাল (২৯ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের নজরে আনেন রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবী। সেসময় আদালত এ বিষয়ে লিখিত আবেদন দিতে বলেন। সে অনুসারে আজ লিখিতভাবে আবেদন করা হয়।

মঙ্গলবারের শুনানিতে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে হাইকোর্টের অপর বেঞ্চে দেয়া নিষেধাজ্ঞার উদাহরণ তুলে ধরে যুক্তি উপস্থাপন করেন দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। সম্প্রতি পিকে হালদারের বক্তব্য প্রচার করে দেশের কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সরাসরি টকশোতেও অংশ নেন পিকে হালদার। বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বেশির ভাগ অসত্য।

প্রসঙ্গত, প্রশান্ত কুমার হালদার বা পিকে হালদার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাট করে বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অর্থলোপাটের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এরপর বিভিন্ন সময় দেশে ফেরার কথা বলেও দেশে ফেরেনি তিনি। পরে দুই বিনিয়োগকারীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ১৯ জানুয়ারি এক আদেশে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ সংশ্লিষ্ট ২০ জনের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এছাড়া পিকে হালদারের গ্রেফতারি পরোয়ানা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে পাঠানো হয়েছে।