তিন শ্রেণীর লোক পাবে না করোনার টিকা

3 weeks ago
5:19 pm
11
অন্যান্য স্বাস্থ্য তিন শ্রেণীর লোক পাবে না করোনার টিকা

মাদারীপুরে আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হবে। ইতিমধ্যে প্রথম চালানে ৩৬ হাজার করোনার টিকা এসেছে। এসব টিকা প্রথম পর্যায়ে সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের দেয়া হবে। যাদের দেওয়া হবে এরা হলেন-কোভিড চিকিৎসায় সরাসরি যুক্ত সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, ধর্মীয় নেতা, প্রবাসী শ্রমিক ও ষাটোর্ধ্ব নাগরিকসহ অন্যান্যদের এই টিকা প্রদান করা হবে। তবে ১৮ বছরের নিচে গর্ভবতী মহিলা, হঠাৎ করে কোন রোগে আক্রান্ত এদের ক্ষেত্রে এই টিকা প্রদান করা হবে না। রবিবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকের এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. সফিকুল ইসলাম।

করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। তিনি জানিয়েছেন, জেলা করোনার টিকার জন্য জনগোষ্ঠীর ও পেশাভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এই তালিকার মধ্যে ১ হাজার ৩৮২ জনের নাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এই ১ হাজার ৩৮২ জন জেলার সরকারি ৪১ দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, টিকা নেওয়ার জন্য অনলাইনে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। টিকা নেওয়ার পর কারো কারো বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন-টিকা প্রয়োগের জায়গায় ফুলে যাওয়া, সামান্য জ্বর হওয়া, বমি বমি ভাব, মাথা ও শরীর ব্যাথা। এ লক্ষণগুলো সাধারণত দুই-একদিন থাকতে পারে। ভ্যাকসিন নেয়ার পর টিকা কেন্দ্রে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ভ্যাকসিন নেয়ার পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন। প্রথম ডোজের আট সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন আরো জানানা, সোমবার থেকে মাদারীপুরে টিকাদান কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টিকাদান কর্মী নিজেই টিকা নেবার পর হতে ৫-৭ দিন হয়তো কাজে যোগদান করতে পারবেন না। প্রতিটি উপজেলায় একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে। প্রথমে আমরা একটি বুথের মাধ্যম টিকাদান শুরু করবো। যদি চাহিদা বৃদ্ধি পায় তাহলে একটি বুথে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু করবো।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: খায়রুল আলম সুমন, প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান খান, মৈত্রী মিডিয়া সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক এস.এম. আরাফাত হাসান সহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।