জমি নিয়ে বিরোধ, হত্যাকাণ্ড: অতঃপর ২ জনের ফাঁসি ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন

1 month ago
3:50 pm
77
অন্যান্য আইন-আদালত জমি নিয়ে বিরোধ, হত্যাকাণ্ড: অতঃপর ২ জনের ফাঁসি ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জে তাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় ২ জনকে ফাঁসি ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করেছে আদালত। সোমবার (১৫ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার কোদালাটিয়া গ্রামের মৃত কিতাব আলীর পুত্র ছাইকুল ইসলাম (৫০) ও কটিয়াদী উপজেলার ভবানিপুর গ্রামের মৃত সাহেদ আলীর পুত্র গোলাপ মিয়া (৩৫)।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন, মোঃ সাইদু, আঃ হামিদ, আঃ রহিম, বাদল মিয়া, মোস্তফা, মিজান, সুলতান, রায়হান, হাবিব, ফারুক, জলে বেগম, আনিসা বেগম ও হেনা বেগম। তাদের মধ্যে মিজান ও সুলতান পলাতক রয়েছে। অন্য আসামিরা রায় ঘোষনার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সোহেল নামে এক আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিচার চলছে শিশু আদালতে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আ: ছাত্তারের পুত্র কৃষক তাজুল ইসলামের সাথে পার্শ্ববর্তী এলাকার ছাইকুল ইসলামের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ বিরোধের জের ধরে ২০১১ সালের ০১ জানুয়ারি দুপুরে বাড়ির পাশে জমিতে হালচাষ করার সময় তাজুল ইসলামের ওপর হামলা করে আসামিরা। এ সময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাত ও পিটুনিতে ঘটনাস্থলে মারা যান কৃষক তাজুল ইসলাম। আহত হন আরও কয়েকজন। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মালা বেগম বাদী হয়ে ঐ দিন ১৬ জনকে আসামি করে কটিয়াদী থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কটিয়াদী থানার ওসি মো. ফরিদ আহমেদ। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালতে রায় ঘোষণা করা হয়।

মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এপিপি যজ্ঞেশ্বর রায় ও আসামী পক্ষে ছিলেন এ্যাড. অশোক সরকার।

এপিপি যজ্ঞেশ্বর রায় বলেন, বিচার শেষে আদালত ১৫ আসামীকে দোষী সাব্যস্থ করে। একজনের বিচার চলছে শিশু আদালতে। পলাতক দুইজন ধরা পড়লে সেদিন থেকে তাদের সাজা শুরু হবে।