কলম২৪ প্রতিবেদক
দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। মশায় অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী ঘুমিয়ে সিটি করপোরেশন - দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে জনপ্রতিনিধির অভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির হ-য-ব-র-ল অবস্থা। মশা নিয়ন্ত্রণে অনেকটা ঘুমিয়ে দুই সিটি। কোথাও কোথাও দায়সারা কাজ চলছে এতে কাজ হচ্ছে না। স্থানীয়রা বলছেন, জনপ্রতিনিধি না থাকায় সিটি করপোরেশনের কর্মীরা কাজ করছেন না। বিশেষ করে মশক নিধন কর্মীদের দেখাই যায় না। এ কারণে হঠাৎ মশার উৎপাত বেড়ে গেছে।
কোনো কোনো এলাকায় জনজীবন রীতিমতো অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। জানুয়ারি মাসের তুলনায় চলতি ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সমপ্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, মশার ৯০ শতাংশই কিউলেক্স। মার্চে মশার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা। মশার এই উপদ্রবে শুধু ঘুমের ব্যাঘাতই হচ্ছে না; ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের ঝুঁকিও বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। গতবছরে মশার কামড়ে ৪১২ জনের প্রাণগেছে। অধিকাংশ মৃত্যুই দুই সিটিতে।
নগদে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান - দৈনিক বণিকবার্তার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের অন্যতম মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’-এ বিনিয়োগে আগ্রহী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ‘নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস’ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
চাঁদার নামে চাঁদাবাজি - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদটিতে বলা হয়েছে, বাস, ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও টেম্পো-লেগুনা থেকে দৈনিক প্রায় শতকোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যার বেশির ভাগ চাঁদাবাজি। সোজা কথা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়। সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মী এসব চাঁদা আদায়ে যুক্ত। রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার স্পট থেকে প্রতিদিন এভাবে চাঁদা আদায় করা হয়। সারা দেশ থেকে যুগান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহণ, সেতু, রেল ও নৌপরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, ‘চাঁদাবাজি নেই-আমি একথা কিন্তু বলিনি। আমি বলেছি-একটা হলো চাঁদা, আর একটা হলো চাঁদাবাজি। চাঁদা হলো-স্বেচ্ছায় এবং চাঁদাবাজি হলো জোরপূর্বক। আমি তো চাঁদাবাজিকে সমর্থন করিনি বা করছিও না।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি একটা ফৌজদারি অপরাধ। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।’ তিনি জানান, ‘প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সমবায় মন্ত্রণালয় এবং আমার মন্ত্রণালয়ে মিলে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা যেতে পারে।’
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এনামুল হক আরমান
ফোন : +8801609378100, ই-মেইল: kolom24news@gmail.com