home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


বোমাবাজি নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার

মো. নূর নবী শেখ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাকলম২৪.কম

আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৪৬

Facebook
Twitter

বোমাবাজি নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার

দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া। 


শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিন্টোরোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।


দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও নয় হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে পুলিশ।


সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর করা এক মন্তব্যের বিষয়ে একজন সাংবাদিক পুলিশের বক্তব্য জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল বলেন, তাহলে তাকেই জিজ্ঞাসা করতে হবে সে এই বক্তব্য কেন দিল। অবশ্যই আমার মনে হয় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ। তা না হলে সে এই কথা বলল কেন?


তাহলে কি বলা যাবে যে পুলিশ পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার বলেন, এটা আমি বলতে পারব না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।


সরকার তিন দাবি মেনে নিলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না বলে সম্প্রতি বক্তব্য দেন এনসিপি নেতা পাটওয়ারী।


গত সোমবার রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মিছিল শেষে প্রশ্নের জবাবে পাটওয়ারী বলেন, আমরা তিনটা দাবিতে অনবরত রাজপথে আছি। এই দাবিগুলো মানলেই তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।


সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ তৈরি করা নয় হাজার কাগজের মুখোশসহ জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তের একপর্যায়ে ইমনের সংশ্লিষ্টতার ‘তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ’ পাওয়া যায়।


এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বাগাশুর এলাকা থেকে জাহিদ হাসান ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত দেড় কেজি কস্টিক সোডা, দেড় কেজি সালফার, ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত পাঁচ কেজি মারবেল, ২ ইঞ্চি তারকাঁটা ২ কেজি, ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ২০টি লাল টেপ ও ১১টি কালো টেপ এবং কাগজের তৈরি মোট নয় হাজার মুখোশ উদ্ধার করা হয়।


সংবাদ সম্মেলনে তোফায়েল আহমেদ বলেন, জাহিদ হাসান ইমন স্বীকার করেছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইমনের বিরুদ্ধে ডিএমপির শাহবাগ ও লালবাগ থানায় দুটি মামলা রয়েছে।


সূত্র: বিডি নিউজ



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।