সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এনামুল হক আরমান
নূর জাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: কলম২৪ প্রতিবেদক

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন বিএনপি তার জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়ায় এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ফলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর জোটের প্রার্থী, এমনকি বিএনপিকেও আক্রমণ করছেন তিনি।
প্রশ্ন: নির্বাচনী প্রচারে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
উত্তর: গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। যেখানেই যাচ্ছি, জনগণ আমাকে প্রতিনিয়ত সাহস ও শক্তি জোগাচ্ছে। কারণ তারা জানে, বিগত ১৭ বছর ছিলাম তাদের সাথে, আগামী দিনেও থাকব।
প্রশ্ন: নারী প্রার্থী হিসেবে বুলিং বা কোনো বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন কি না?
উত্তর: প্রকাশ্যে সভায় আমার পোশাক-আশাক, রুমিন ফারহানা টিস্যু পেপার হয়ে গেছে, টিস্যু পেপার কাজে লাগে না; আরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে।
প্রশ্ন: দল, অর্থাৎ বিএনপি আপনার সঙ্গে নেই নির্বাচনে। বিষয়টি কতটুকু আপনার জন্য নেতিবাচক হয়েছে?
উত্তর: আমি তো বিএনপির প্রার্থী না। তাহলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কেন। আমি তো স্বতন্ত্র প্রার্থী। আমার তো নিজস্ব ভোট।
প্রশ্ন: দলীয় প্রতীকের বাইরে গিয়ে লড়াইটা সম্পর্কে কিছু বলুন।
উত্তর: বড় দল (বিএনপি)। দলকে তো তাদের হিসাবনিকাশ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আমাকে আমার রাজনীতি, আমার নেতা-কর্মী, আমার সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
প্রশ্ন: আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কাকে দেখছেন? তাঁর সম্পর্কে মূল্যায়ন করুন।
উত্তর: আমি কাউকে ইন্ডিকেট করে বলতে চাই না। যাঁরা মাঠে আছেন, তাঁরা সবাই প্রতিযোগিতা করছি। মানুষ যাঁর সঙ্গে থাকবে, তিনিই জয়লাভ করবেন।
প্রশ্ন: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা আপনার বিষয়ে নানা রকম মন্তব্য করছেন। এ বিষয়ে আপনি অভিযোগ করেছেন, প্রতিকার পাননি বলেছেন। বিষয়টাকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
উত্তর: মানুষ হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিচারক। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে মানুষ এটার বিচার করে দেবে।
প্রশ্ন: নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনি প্রশ্ন তুলেছেন। একই রকম অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো চিন্তা আছে?
উত্তর: আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে থাকব। আমার লড়াই আমি চালিয়ে যাব। দেখা যাক কী হয়।
প্রশ্ন: ভোটে জেতার পর ক্ষমতাসীন দল থেকে ডাক এলে তখন কী করবেন?
উত্তর: এটা সময় বলে দেবে। আগে নির্বাচন হোক, আমি নির্বাচিত হই। তারপর না হয় সিদ্ধান্ত। এটা তো অনেক দূর। পরেই এটা নিয়ে চিন্তা করব।
প্রশ্ন: কেউ আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করলে সেটা কীভাবে দেখেন?
উত্তর: দেখুন এটা হলো যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। যার যার পারিবারিক শিক্ষার বিষয়।
প্রশ্ন: আপনি সবাইকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথা বলছেন, কেন?
উত্তর: আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার প্রতীক হাঁস। ধান হলো প্রাণ, আমার হাঁস আমারই চাষ করা ধান খাবে। আমি যা বলি, সেই ওয়াদা রক্ষা করি। তবে আগামী ১১ তারিখ বিকেল থেকে ১২ তারিখ রেজাল্ট না আসা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাই। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শেয়াল চুরি করতে না পারে। পাশাপাশি একটি ডিমও যাতে বেজি না খেতে পারে।