

বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ জুলাই, ২০২৬ অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা, লেখকের পর্যবেক্ষণ ও অনুভূতি। শুভেচ্ছা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে শুরু হওয়া একটি ভার্চুয়াল আয়োজন ধীরে ধীরে রূপ নেয় টানা পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী স্মৃতি, সংগ্রাম ও প্রত্যয়ের এক সম্মিলিত আখ্যানে।
দেশের ৬৪ জেলা থেকে যুক্ত হওয়া প্রায় সত্তরজন সহযোদ্ধার বক্তব্য—প্রতিটি যেন একটি সময়ের জীবন্ত দলিল। এরপর একে একে বক্তব্য তুলে ধরেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত হওয়া নেতাকর্মীরা। প্রতিটি বক্তব্য একদিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ, অন্যদিকে একটি সময়ের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বাস্তবতার দলিল।
একজন মায়ের কারাজীবনের বর্ণনা: প্রোগ্রামের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তগুলোর একটি ছিল কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক জেসমিন আক্তার রুমা'র উপস্থাপিত কারাগারের অভিজ্ঞতা। তিনি জানান অসুস্থ বাবাকে দেখতে গিয়ে তিনি রাত ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে বাবার বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন। তাঁর সঙ্গে ছিল মাত্র দশ মাস বয়সী শিশুপুত্র। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সেই রাতে তাঁকে শিশুসন্তানসহ থানায় রাখা হয় এবং পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। একটি শিশুকে বুকে নিয়ে এক মায়ের কারাজীবনের করুণ অভিজ্ঞতা উপস্থিত অনেককেই আবেগাপ্লুত করে।
মাতৃত্ব ও আদর্শের এক অদম্য অঙ্গীকার: তেজগাঁও থানা যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম তাঁর ৪৫ দিনের কন্যাশিশুকে নিয়ে কারাবাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন- প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর বিশ্বাস ও আদর্শ টলে যায়নি। বরং তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, ভবিষ্যতেও তিনি তাঁর সন্তানকে ছাত্রলীগ, যুব মহিলা লীগ এবং আওয়ামী লীগের আদর্শে গড়ে তুলতে চান। তাঁর বক্তব্যে মাতৃত্ব ও আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার এক অনন্য শক্তিতে মিলিত হয়েছে।
১৭ মাস কারাগারে তবুও অটল মনোবল: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব মহিলা লীগের নেত্রী সুমী খান তার বক্তব্যে দীর্ঘ ১৭ মাসের কারাবাসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নানান নির্যাতন, অকথ্য গালিগালাজ ও নিয়মিত খাবার না দেওয়ার কারণে "জয় বাংলা" স্লোগান দেওয়ার পর তাঁকে এবং আরও কয়েকজন রাজবন্দিকে রাতের অন্ধকারে রাজশাহী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বলেন, দীর্ঘ পথজুড়ে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁদের মনোবল ভাঙেনি। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।
কারাগারের দুঃসহ স্মৃতি তবুও অবিচল বিশ্বাস: দিনাজপুরের বিরামপুর ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগ নেত্রী উম্মে হাবিবা তাঁর বক্তব্যে কারাবাসের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কারাগারে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের শ্রমমূলক কাজ করতে হতো। তিনি আরও জানান, কারাগারের দেয়ালে "জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু" লেখার কারণে তাঁকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে এবং অসুস্থ অবস্থায়ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাননি। তাঁর বক্তব্যের একটি বাক্য উপস্থিত অনেকের মনে গভীর রেখাপাত করে—"কারাগারে শেখ হাসিনার চাল খেয়েছি তাই মনোবল ভাঙেনি । যে চালের বস্তায় লেখা ছিল—'শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ'।" তিনি এই স্মৃতিকেই নিজের মানসিক শক্তির উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন।
মায়ের শেষ মুখটি আর দেখা হলো না: ময়মনসিংহ মহানগর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাসলিমা সুলতানা কাজল জানান -তিনি ৮১ হাজার ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তিনি তাঁর বক্তব্যে ব্যক্তিগত জীবনের এক গভীর বেদনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ করার অপরাধে তাকে জেলে যেতে হয়েছে দুটো শিশু সন্তানকে রেখে এতে দুঃখ নেই, তবে দুঃখ হচ্ছে কারাবাসের সময় তাঁর মায়ের মৃত্যু হলেও শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখতে পারেননি। এতোকিছুর পর ও তাঁর কণ্ঠে ছিল না পরাজয়ের সুর; ছিল প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যতের প্রতি অটুট বিশ্বাস।
নির্যাতনের স্মৃতি ও নিরাপত্তার আকুতি: ঢাকা জেলা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক কনক চাপা কনক জানান - তিনি যেদিন মবের শিকার হন সেদিন তিনি সন্তান বয়সী ছেলেদের দ্বারা নির্যাতিত হন। হাত, পা ভাঙলে বলা যায়, চিকিৎসা করানো যায় কিন্তু তিনি এসব নির্যাতনের বর্ণনা কিভাবে শেয়ার করবেন? বর্তমানে ৮ মাসের গর্ভবতী হয়েও পালিয়ে থাকছেন। তিনি আরো জানান যেদিন তিনি নিউজে দেখেছেন ৮ মাসের গর্ভবতী এক নারীকে ধর্ষণের ফলে বাচ্চা প্রসবের পর ছটফট করে ঐ নারী মারা যান সেদিন তিনি মনে করেছেন উনার কষ্টের কাছে তার কষ্ট কিছুই না। তবে দুঃখ একটাই বলে তিনি উল্লেখ করেন- এমন বাংলাদেশ তিনি ৪০ বছর বয়সেও দেখেননি। ৭১সালে তো আমাদের মা বোন নির্যাতিত হয়েছে পাকিস্তানিদের হাতে কিন্তু আমাদের দেশের, আমাদের সন্তান বয়সী ছেলেদের দ্বারা এ নির্যাতন সহ্য করার মতো নয়। নেত্রী আপনি ফিরে আসুন। বাংলার নারীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেন। যাতে আমরা স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারি।
প্রাণভয়ে পালিয়ে থাকা দিনগুলো: রাঙামাটি জেলা যুব মহিলা লীগের নেত্রী লেখিকা চাকমা জানান- ৫ই আগষ্ট থেকে তিনিসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারছেন না, স্হানীয় মব কিংবা প্রাণের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায়।
কারাগার থেকে ফিরে আবারো সংগঠনে সক্রিয়: ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেঘলা আক্তার রত্না জানান- ১০ নভেম্বর নূর হোসেন দিবসের প্রোগ্রামে তাকে স্টিক দিয়ে বেধড়ক পিটানো হয়। এতে তার হাতের কব্জি ভেঙে যায়। তাকে মারধরের প্রতিবাদস্বরূপ সেখানেই তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তার নিজের লেখা গান জোরে জোরে গাইতে থাকেন। তারপর তাকে পুলিশের গাড়ীতে তুলে দেয়া হলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। কারাগারে তাকে হিজরা, কয়েদি, মাদকাসক্ত আসামী, চোর ডাকাতদের দিয়ে নির্যাতন করানো হতো। তাঁকে ফাঁসির কনডেমড সেলে রেখে নির্যাতন করার কারনে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্তমানে জামিনে মুক্ত হয়ে সংগঠনের কাজে সরব আছেন।
দুই বোনের সংগ্রাম: রমনা থানা যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাতা কমিটির সভাপতি হেলেনা আক্তার ও ঢাকা মহানগর উত্তরের কোহিনূর আক্তার মলি তারা সহোদর দুই বোন। ৫ই আগষ্টের পর আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, তাদের পরিচালিত অটিজম স্কুল গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুট হয়। আওয়ামী লীগ করার অপরাধে ১৩ মাস জেল কেটেছেন। তবুও দুঃখ নেই। জননেত্রী আবার স্বসম্মানে দেশে ফেরার জন্য তারা জীবন বাজি রাখতে বদ্ধপরিকর।
প্রোগ্রামে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক পারভীন চাঁদ মিশুর বৃদ্ধ মাতা। ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক শামীমা আক্তারের কন্যা, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আরা বেবি'র কন্যা।
তাঁরা জানান, আইনি জটিলতার কারণে তাঁদের স্বজনরা জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন না। "পরিবারের সদস্যরা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের কাছে তাদের স্বজনদের মুক্তি পেতে সহায়তা কামনা করেছেন।"
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে শুরু হওয়া এই ভার্চুয়াল আয়োজন টানা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা স্থায়ী হলেও জননেত্রী শেখ হাসিনা ধৈর্যের সঙ্গে একের পর এক বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি সারা দেশের আরও নেতাকর্মীদের কথা শুনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
পুরো আয়োজনজুড়ে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—সংগঠন শুধু কর্মসূচি দিয়ে নয়, প্রতিকূল সময়ে সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়ানো, একে অপরের খোঁজ নেওয়া, সাহস জোগানো এবং মানসিক বন্ধন অটুট রাখার মধ্য দিয়েও বেঁচে থাকে।
এই বিশাল ভার্চুয়াল আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংগঠনের সভাপতি আলেয়া সরোয়ার ডেইজি এবং সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি- এর প্রতি বক্তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মতে, প্রতিকূল সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সহযোদ্ধাদের একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে তাঁদের কথা শোনার এই উদ্যোগ সংগঠনের ঐক্য ও পারস্পরিক সংযোগকে আরও শক্তিশালী করেছে।
বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন তাই শুধু একটি সাংগঠনিক প্রোগ্রাম ছিল না; এটি ছিল স্মৃতি, সংগ্রাম, অশ্রু, সাহস, আশা এবং প্রত্যয়ের এক আবেগঘন সমাবেশ। এই দীর্ঘ ভার্চুয়াল মিলনমেলা যেন একটি বার্তাই নতুন করে উচ্চারণ করেছে—প্রতিকূল সময় যত দীর্ঘই হোক, আদর্শে বিশ্বাসী মানুষের পথচলা থেমে থাকে না। সংগ্রামের শপথ, ঐক্যের শক্তি এবং ভবিষ্যতের প্রত্যয় নিয়েই তারা সামনে এগিয়ে যায়।
আর এই আয়োজনের প্রতিটি বক্তব্য যেন একেকটি জীবন্ত দলিল। ব্যক্তিগত বেদনা সেখানে বারবার মিলিত হয়েছে সাংগঠনিক অঙ্গীকারের সঙ্গে। হয়তো এ কারণেই অনুষ্ঠানটি শেষ হলেও তার প্রতিধ্বনি অংশগ্রহণকারীদের হৃদয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রয়ে গেছে।
উল্লেখ্য এই লেখায়, স্থান পাওয়া ঘটনাগুলো পাঁচ ঘণ্টার দীর্ঘ ভার্চুয়াল আয়োজনের অসংখ্য বক্তব্যের মধ্য থেকে নির্বাচিত কয়েকটি অভিজ্ঞতা মাত্র। আরও অসংখ্য গল্প, অশ্রু, সংগ্রাম ও প্রত্যয় সেই আয়োজনকে সমৃদ্ধ করেছে, যা ভবিষ্যতে পৃথকভাবে সংরক্ষণের দাবি রাখে।
লেখকের মন্তব্য : অনুষ্ঠানটি শেষ হওয়ার পরও অনেকক্ষণ আমি নির্বাক ছিলাম। সারারাত ঘুমাতে পারিনি। একের পর এক বক্তব্য শুধু শুনিনি—অনুভব করেছি। একজন মায়ের কোলে দশ মাসের শিশু, আরেকজনের মাত্র ৪৫ দিনের কন্যাসন্তান, কারও দীর্ঘ ১৭ মাসের কারাবাস, কারও পরিবারের বিচ্ছেদ, কারও মায়ের মৃত্যুর বেদনায় শেষ বিদায় জানাতে না পারার যন্ত্রণা—প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমার হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী। তাই এই লেখার প্রতিটি শব্দ আমি শুধু লেখক হিসেবে নয়, একজন সহযোদ্ধার অনুভূতি নিয়েও লিখেছি। একই সঙ্গে একজন কর আইনজীবী ও আইনের শিক্ষার্থী হিসেবে জানি, ইতিহাস কেবল আদালতের নথি, সরকারি দলিল কিংবা সংবাদ প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ থাকে না; ইতিহাস বেঁচে থাকে মানুষের স্মৃতিতে, অশ্রুতে, সংগ্রামে এবং উচ্চারিত সাক্ষ্যে।
আর এই লেখাটি কোনো পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস ও নয়। এটি একটি সময়ের কিছু কণ্ঠস্বর, কিছু অনুভূতি এবং কিছু অভিজ্ঞতাকে সংরক্ষণের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আমার বিশ্বাস, আজ যাঁরা তাঁদের জীবনের এই অধ্যায়গুলো বলছেন, ভবিষ্যতে তাঁদের প্রত্যেকের জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ এবং অভিজ্ঞতা সাক্ষাৎকারভিত্তিকভাবে লিপিবদ্ধ করা গেলে তা শুধু একটি বই হবে না; বরং আমাদের সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।
সম্ভবত সেই কারণেই প্রোগ্রামটি শেষ হওয়ার পরও আমার ঘুম আসেনি। বারবার মনে হয়েছে—এই গল্পগুলো হারিয়ে যাওয়ার নয়; এগুলো লিখে রাখা দরকার। কারণ সময় চলে যায়, মানুষ বদলে যায়, কিন্তু লিখিত ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি সময়ের সাক্ষ্য হয়ে বেঁচে থাকে। আর আমার এই লেখাটি হয়তো সেই সংরক্ষণের পথযাত্রার একটি ছোট্ট সূচনা। হয়তো সে কারণেই আমার বিশ্বাস-
"ইতিহাস শুধু লেখা হয় না; ইতিহাস সংরক্ষণও করতে হয়। আর সংরক্ষণের প্রথম শর্ত—সাক্ষ্যকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া।" হয়তো এই লেখা সেই বৃহত্তর সংরক্ষণযাত্রার প্রথম পদক্ষেপ মাত্র।
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
নূর জাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।