_copy7.webp)

পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমস ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। এই প্রক্রিয়া ঠেকাতে লাহোর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। তবে আদালতে স্বস্তি পাননি তিনি।
এনসিসিআইএর নোটিশ ও তদন্ত প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে রিজওয়ানের করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারক আলিয়া নীলম। একই সঙ্গে এনসিসিআইএর নোটিশের বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে রিজওয়ানের আইনজীবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার আইনজীবীদের মাধ্যমে রিট আবেদনটি করেন রিজওয়ান। আবেদনে বলা হয়, তাকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে এনসিসিআইএ সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানায়নি। সংস্থাটির এই বিষয়ে এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। বিষয়টি পাকিস্তান ক্রিকেটে কথিত অনলাইন বাজি বা জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরদিন বৃহস্পতিবার রিজওয়ানের আবেদন শুনতে অস্বীকৃতি জানান বিচারপতি নীলম। আদালত প্রথমে এনসিসিআইএর জারি করা নোটিশের বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে বলেন। পরে রিজওয়ানের আইনজীবী কাজী উমাইর আলী সাংবাদিকদের জানান, নোটিশের জবাব আগেই দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর রিজওয়ান ও আরেক ক্রিকেটার ইমাম-উল-হককে নোটিশ দিয়েছিল এনসিসিআইএ। নোটিশ পাওয়ার পর ১০ সেপ্টেম্বর দুজনই সংস্থাটির সামনে হাজির হয়েছিলেন। এরপরই তদন্ত প্রক্রিয়া ও নোটিশের বৈধতা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন রিজওয়ান।
রিট আবেদনে রিজওয়ানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ২০১৬ সালের প্রিভেনশন অব ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট এবং ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী অনলাইন বাজি ধরা কোনো তফসিলভুক্ত অপরাধ নয়। তাই এই তদন্তকে ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক দাবি করে নোটিশ বাতিল এবং তদন্ত বন্ধের আবেদন করেন তিনি। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার বা আটকের মতো কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।
রিজওয়ানের আইনজীবী আরও দাবি করেছেন, লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের পর রিজওয়ানের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ১টার দিকে যে হোটেলে পাকিস্তান দল অবস্থান করছিল, সেখানে রিজওয়ানকে ডেকে পাঠানো হয়। সরকারি একটি সংস্থার এক কর্মকর্তা সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং পরে তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেন।
আইনজীবীর দাবি, কোনো পূর্বনোটিশ বা জব্দের অনুমোদিত আদেশ দেখানো হয়নি। রিজওয়ানকে বলা হয়েছিল, ফোনটি পরীক্ষা করে তিন ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে। তবে সেই সময় পার হলেও ফোনটি ফেরত দেওয়া হয়নি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইংল্যান্ড সফরেও তখন কঠিন সময় পার করছিল পাকিস্তান। লর্ডস টেস্টে ১৯৪ রানে হেরে সিরিজ খোয়ানোর পর এক ম্যাচ বাকি থাকতেই রিজওয়ান, ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। একই সঙ্গে প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমার গুলকেও দেশে ফেরানো হয়।
এখন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এনসিসিআইএর নোটিশের বিষয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার পরই রিজওয়ানের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে যায়, সেটিই দেখার বিষয়।
খেলা নিয়ে আরও পড়ুন


.webp&w=2048&q=75)

.webp&w=2048&q=75)
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।