home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন জার্সি উন্মোচন

মো. নূর নবী শেখ
স্পোর্টস ডেস্ককলম২৪.কম

আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:৩৮

Facebook
Twitter

বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন জার্সি উন্মোচন

দর্শকের অধীর আগ্রহ অবশেষে আলোর মুখ দেখেছে। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন হোম ও অ্যাওয়ে জার্সি উন্মোচিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হয় জমকালো এক অনুষ্ঠান। সেখানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল জার্সি উন্মোচন করেন।

সাদা জমিনের হোম জার্সিতে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে। বুকের মধ্যে ফুটে উঠেছে বর্ণমালার বিভিন্ন অক্ষর। দু’পাশে লাল এবং কলারে লাল ও সবুজ রঙের স্ট্রাইপ ব্যবহার করা হয়েছে। সাদা জার্সির সঙ্গে লাল শর্টস পরবেন ফুটবলাররা।

অ্যাওয়ে জার্সি তৈরি হয়েছে সবুজ জমিনে। সামনের পুরো অংশজুড়ে রাখা হয়েছে স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতি। হাতায় রাখা হয়েছে বাঘের ডোরাকাটা। দুই কাঁধের অংশ শোভিত হয়েছে পতাকার লাল রঙে। সবুজ জার্সির সঙ্গে সবুজ শর্টস পরে মাঠে নামবেন ফুটবলাররা।

বাফুফের কিট পার্টনার দৌড় প্রস্তুত করেছে জার্সিগুলো। দৌড়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকে জার্সির ডিজাইন চেয়েছিলাম। মোট ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন পাই। সেখান থেকে ৩৪টি এলিমেন্ট নিয়ে জার্সি তৈরি করা হয়েছে।’

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘জার্সি আমাদের আরেকটি পতাকা। বাংলাদেশের মতো ক্রেজি ফ্যানস পৃথিবীতে খুব কমই আছে। আমরা প্রতি দুই বছর পর পর নতুন জার্সি আনার চেষ্টা করছি। যাতে ভক্তরা একটা ডিজাইনের জার্সি পরে যথেষ্ট ম্যাচ দেখতে পারে।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সময় জার্সি উন্মোচনের এসব ব্যাপার ছিল না। টিম ম্যানেজমেন্ট জার্সি এনে দিত, আমরা পরে খেলতে যেতাম। এখন সময় বদলেছে। ফুটবলের উন্মাদনা অনেক বেড়েছে। সবাই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য চায়।’
[9/8, 7:03 PM] Nur Nobi Sheikh: শত শত বছরের পুরোনো এই মসজিদের স্থাপত্য, কারুকাজ ও ধর্মীয় পরিবেশ সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। তাই ধনবাড়ীর নবাব বাড়ি শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়—এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী।
ধনবাড়ীর নবাব আলী চৌধুরী—শুধু একজন নবাব নন, তিনি ছিলেন শিক্ষার এক মহান পৃষ্ঠপোষক।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর মাটিতে জন্ম নেওয়া নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী বাংলার শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেন। তৎকালীন ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
শুধু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগেই তিনি থেমে থাকেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি আর্থিক সহায়তা ও বৃত্তির ব্যবস্থা করেন, যাতে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেতে পারে। শিক্ষার প্রসারে তাঁর এই অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
তাঁর অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন” তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে।
তাই ধনবাড়ীর নবাব আলী চৌধুরীর ইতিহাস শুধু একটি নবাববাড়ি, জমিদারি কিংবা পুরোনো স্থাপনার ইতিহাস নয়—এটি বাংলার শিক্ষা বিস্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্ঞানচর্চার পথ তৈরি করার ইতিহাস।



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।