সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এনামুল হক আরমান
নূর জাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কলম২৪ প্রতিবেদক

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলার ঘটনায় শুক্রবার (১ মে) কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা। এসময় অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের গায়েবি, কাল্পনিক ও বানোয়াট মামলা মানহানিকর এবং আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কটিয়াদী প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক ও যুগান্তর প্রতিনিধি ফজলুল হক আলমগীর জোয়ারদার, সদস্য সচিব ও দিনকাল প্রতিনিধি মাইনুল হক মেনু, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল হায়দার টিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন সহ আরো অনেকে।
প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক আলমগীর জোয়ারদার বলেন, দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে আমরা বৈষম্যের শিকার ছিলাম প্রেস ক্লাবে। স্বাধীনতার পর থেকে কটিয়াদী প্রেস ক্লাবকে একটি একদলীয় ও গুটি কয়েক লোকের পরিবারতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে কতিপয় নামধারী সাংবাদিক। আমরা অনেকেই ৩০-৩৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করেও এর সদস্য হতে পারিনি। কিন্তু ভুঁইফোঁড় লোকজনকে সদস্য করে দখল করে রাখা হতো।
বছরের পর বছর এই উপজেলার অধিকাংশ সাংবাদিক তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কেউ সদস্য হতে চাইলেও অগণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্রের দোহাই দিয়ে সদস্য করা হয়নি। চার যুগ ধরে কাজ করা অনেকেই এই ক্লাবে প্রবেশ করতে পারেননি। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বঞ্চিত সাংবাদিকরা ছাত্র-জনতার সহায়তায় তাদের অধিকার ফিরে পেতে ক্লাবে প্রবেশ করেছেন। কিছুদিন আগে আমাদের পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও অনেকের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা ও আজগুবি মামলা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, দানবীর আব্দুল কাদির মোল্লা প্রেস ক্লাবের উন্নয়নের জন্য অর্থ দান করেছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ কাগজে-কলমে দেখিয়ে তারা নিয়মিত সেই অর্থ আত্মসাৎ করত। এ সংক্রান্ত স্বাক্ষরিত কাগজপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। এছাড়াও ঈদ, মেলা ও পূজার বোনাসের নামে বিভিন্ন সময় ক্লাবের বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। মূলত তাদের অপকর্ম নির্বিঘ্ন রাখতে নতুন সদস্য গ্রহণে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা ছিল।
মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন দ্রব রঞ্জন দাস, সাইফুল ইসলাম, জজ মিয়া, সৈয়দ ওলিউজ্জামান মহসিন, মোফাসসেল সরকার, খায়রুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম সুমন, নাইম ইসলাম, মিজানুর রহমানসহ আরো অনেকে।
দেশজুড়ে নিয়ে আরও পড়ুন




