সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এনামুল হক আরমান
নূর জাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা ৭ হাজার লিটার ডিজেলের মধ্যে ২ হাজার ২০০ লিটার রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। নিলামে বিক্রি ও আনলোডের সময় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ৩১ মার্চ রাতে ভোজেশ্বর বাজারে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৭ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাকী দাস জানান, বরিশাল থেকে অবৈধভাবে আনা এই তেল জব্দ করা হয়েছে এবং ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে...। জব্দ করা তেল পরে নড়িয়া থানায় সংরক্ষণ করা হয়।
গত ২ এপ্রিল নিলামে তোলার সময় মনোহর মোড়ের মেসার্স আ: জলিল ফিলিং স্টেশন ৭ লাখ টাকায় তা ক্রয় করে। তবে লরি থেকে আনলোডের সময় দেখা যায়, সেখানে রয়েছে মাত্র ৪৮০০ লিটার ডিজেল।... বাকি ২২০০ লিটার উধাও হওয়ার ঘটনায় প্রশাসন ঘাটতি অনুযায়ী অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, লরি আনলোডের সময় তেলের ডিপোতে পরিমাপ করার সুযোগ থাকলেও তা করা হয়নি। একই সঙ্গে সন্দেহ করা হচ্ছে, উধাও হওয়া তেল স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
লাকী দাস বলেন, ‘যে পরিমাণ তেল অভিযানের সময় পাওয়া গেছে, ততটিই নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে উধাও হওয়া তেলের বিষয়টি খুঁজতে আমি বাধ্য নই।’
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাহার মিয়া জানান, ‘লরি থানায় রাখা হলেও অফিসিয়ালভাবে পুলিশের জিম্মায় তেল দেওয়া হয়নি এবং তেলের পরিমাণ সম্পর্কে আমার তথ্য নেই।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। যদি কোনো কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তেলের রহস্য উদঘাটনের দাবি উঠেছে।
দেশজুড়ে নিয়ে আরও পড়ুন




