সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এনামুল হক আরমান
নূর জাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: কলম২৪ প্রতিবেদক

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বদলির খবরে স্থানীয় মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মন্তব্য করে বলেছেন, “এই বদলির মাধ্যমে মাধবপুর কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।” এবিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে।
তিনি অভিযোগ করে জানান, মাধবপুরে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন স্ত্রী-সন্তান ভাতা পাওয়ার যোগ্য হলেও এখনো অনেক আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে এসব পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইউএনও জাহিদ বিন কাশেম মুক্তিযোদ্ধা ভাতা কমিটির সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি “কলঙ্কজনক অধ্যায়” সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এছাড়া, জগদীশপুর মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে আসা বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচি বাতিল করার অভিযোগও তোলেন ইউএনও'র বিরুদ্ধে।
জানা যায়, ২০০৭ সাল থেকে এখানে নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো।
আরও অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়সূচি সকাল থেকে পরিবর্তন করে বেলা ২টায় নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতা হাসানুজ্জামান উসমান বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন নজির খুবই বিরল।” তিনি বদলিতে মাধবপুর কলঙ্ক মুক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ৪ঠা এপ্রিল ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আযম খাঁন বলেন, মাধবপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বরটি অব্যবস্থাপনার কারণে অবহেলিত এবং আবর্জনায় ভরপুর যা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননার সামিল, তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা চত্বরটি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে যে অসন্তোষ ছিল, সাম্প্রতিক এই বদলির মাধ্যমে তা দূর হবে। নতুন ইউএনওর আগমনে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরে আসবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা আহবায়ক কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রতিরঞ্জন দাস জানান, এই ইউএনও'র আমলে গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে চুরি হয় এই ঘটনায় থানায় জিডি করে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেমকে অবগত করেন।তিনি আজ পর্যন্ত এই বিষয়ে কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
দেশজুড়ে নিয়ে আরও পড়ুন




