.webp&w=2048&q=75)
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। তিনি এ প্রক্রিয়াকে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) এক সাক্ষাৎকারে আসিফ মাহমুদ বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলের মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে আবারও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হচ্ছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বদলি, পদায়ন ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকাকালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নে ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতিতে দেড় কোটি টাকা এবং পছন্দের স্থানে পদায়নে আরও ২ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট নথিও তলব করা হয়েছে।
তবে এ উদ্যোগকে স্বাভাবিক তদন্ত প্রক্রিয়া হিসেবে মানতে নারাজ আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে মিডিয়া ট্রায়াল করানোই এটার উদ্দেশ্য। তারা জানে তারাও কিন্তু ফাঁসাতে পারবে না এটা নিয়ে; কারণ আদালতের রায় আছে। আমার পেছনে ব্যাকবোন স্ট্রং, পিএসসির সুপারিশ আছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যেটা করে, মিডিয়া ট্রায়াল করানো। মিডিয়াতে উনি বলে দিলেন, প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। আপনি দুপুরে তদন্ত শুরু করে বিকেলে কীভাবে প্রাথমিক সত্যতা পান?’
দুদককে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, বর্তমান দুদক ও শেখ হাসিনার আমলের দুদকের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখারও আহ্বান জানান তিনি।